• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন |
  • English Version

নোয়াখালীতে মেসার্স জনতা ব্রিক ফিল্ড নিয়ে প্রতারণা, স্থানীয়দের বিক্ষোভ

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

সংবাদদাতা (নোয়াখালী) : জেলার বেগমগঞ্জের কাদিরপুরে প্রকৃত ও বৈধ মালিককে না জানিয়ে প্রতারণা ও কুটকৌশলে রাতের আঁধারে মেসার্স জনতা ব্রিক ফিল্ড বিক্রয়ের অপচেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। সূত্র জানায়, বেগমগঞ্জের রফিকপুরের রাজা মিয়ার ছেলে মো. জামাল উদ্দিন নিজে একক মালিক সেজে এরূপ জঘন্য, শঠতাপূর্ণ ও সমাজবিরোধী কর্মকা- সংঘটিত করার প্রতিবাদে রুখে দাাঁড়িয়েছে সমাজের বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সকালে সরজমিনে গেলে ব্রিকফিল্ড এলাকায় সমাজের শতশত লোক জড়ো হয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী ও সমাজের গণ্যমান্যরা সভাস্থলে জানান, ব্রিক ফিল্ডটির মালিক লতিফপুরের সামছল হক পাটওয়ারীর ছেলে মুজিবুর রহমান ছোটন সরল বিশ্বাসে ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে রাজা মিয়ার ছেলে মো. জামাল উদ্দিনকে অংশীদার করেন। অংশীদারকালে জামাল সম মালিকানার সমপরিমাণ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে পুরো ফিল্ডটির মালিকানা নিজের আয়ত্বে নিতে নানা ফন্দি-ফিকিরে লিপ্ত হয়। সভাস্থলে ছোটন, কাঞ্চন ও নুরনবী জানান, জামাল প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ না করে ছোটনের বিনিয়োগকৃত ফিল্ড হতে লাখ লাখ টাকার ইট, কণা বিক্রয় করে দেয়। ছোটন হিসেবে চাইলে দেব, দিচ্ছি বলে দিনের পর দিন নানা তালবাহনায় এড়িয়ে চলে। সম্প্রতি, জামাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছোটনকে ফিল্ডে একা পেয়ে জোরপূর্বক আটকিয়ে মারধোর করে। এ সময় তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বেশ কিছু সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। ঘটনাকালে ছোটনকে ফিল্ড হতে সরে না গেলে লাশ ফেলে দেয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে, তারা ছোটনকে মেসার্স জনতা ব্রিক ফিল্ডের মালিকানা ছেড়ে দেয়ার শর্তে নগদ ১০ লাখ টাকা গ্রহণে বাধ্য করেন। বাদবাকী টাকা ৩০ এপ্রিলে দেয়ার কথা থাকলে তা না দিয়ে রাতের আঁধারে ফিল্ডটি অন্যত্র হস্তান্তর করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে ফিল্ডের ভূমি মালিক কাঞ্চন, কালা মিয়াসহ অন্যান্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জামালের প্রতারণা ও শঠতার বিরুদ্ধে সমাজের বিভিন্নমহলে বিচার দাবি করেন। তারা জানান, তাদের জায়গাটি ছোটন ভাড়া নিয়েছে যে সময়ের জন্যে তা পুরিয়ে গেছে। এ অবস্থায় কেহ কোনভাবে ওই ভূমি কারো কাছে হস্তান্তর কিংবা ভাড়া দিতে পারেনা। সভাস্থলে জামাল উদ্দিনও হাজির হয়ে পূর্বাপর সব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়দের দাবির মুখে চেয়ারম্যান নুরনবী জামাল উদ্দিনকে ফিল্ডের হিসাবের খাতাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসছে ঈদের ১০দিন পর বৈঠকে হাজির থাকার নির্দেশ নিলে স্থানীয়রা তা মেনে বিক্ষোভ বন্ধ করেন।


এই বিভাগের আরো খবর